শিলিগুড়ি , ৪ এপ্রিল : রামনবমীর দিন দুই প্রতিবেশীর মধ্যে প্রথমে বচসা এবং তারপর হাতাহাতির ঘটনা । কিছুক্ষণের মধ্যে সেই ঝামেলা মিটমাট হলেও রামনবমীর মিছিলে গিয়ে আবারও দু’জনের মধ্যে ব্যাপক হাতাহাতি শুরু হয়। রাজেশ সাহানি ছুরি দিয়ে আঘাত করে সুরজ সাহানির পেটে। সাথে সাথেই মাটিতে লুটিয়ে পরে সুরজ সাহানি , আহত যুবকে নিয়ে যাওয়া হয় শহরের একটা বেসরকারি হাসপাতালে।
অবশেষে গতকাল সন্ধ্যায় শহরের সেই বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় সুরজ সাহানির। এদিকে ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে পলাতক রাজেশ সাহানি। আজ ময়নাতদন্তের পর সুরজ সাহানির মৃতদেহ বাড়িতে এসে পৌঁছালে এলাকাবাসীরা মৃতদেহ নিয়ে টিকিয়াপাড়া মোড়ে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে । খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।
মৃতের পরিবারের বক্তব্য চাকু মারার ঘটনা ঘটেছিল রামনবমীর দিনে সেদিনই পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে । আজ প্রায় ন’দিন হয়ে গেল পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত পলাতক রাজেশ সাহানিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি । অবিলম্বে দ্রুত রাজেশ সাহানিকে গ্রেপ্তার করার দাবিতেই বিক্ষোভ শুরু করে মৃতের পরিবারের সদস্যরা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় এলাকার কাউন্সিলর যদিও এলাকার কাউন্সিলর জানিয়েছেন- ঘটনাটি ঘটে রামনবমীর দিন। ঘটার পর দুই পরিবারের মধ্যে পারস্পারিক বোঝাপড়া হয় আহত সুরজ সাহানির চিকিৎসার সমস্ত খরচ বহন করবে রাজেশ সাহানির পরিবার | পরিবর্তে সুরজ এর পরিবার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করবে না।
তবে গতকাল সুরজ সাহানির মৃত্যুর পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা শুরু হয় |সুরজ সাহানির পরিবারের পক্ষ থেকে রাজেশ সাহানিকে গ্রেপ্তারের দাবি তোলা হয়।

