Khabar Samay Bangla Blog অপরাধ Border : পাচারের আগে ৪ নাবালিকা ও দুই তরুণীকে উদ্ধার করল এসএসবি
অপরাধ ঘটনা

Border : পাচারের আগে ৪ নাবালিকা ও দুই তরুণীকে উদ্ধার করল এসএসবি

শিলিগুড়ি , ২৮ অগাষ্ট : ভারত-নেপাল সীমান্ত দিয়ে নেপালে পাচারের আগেই চার নাবালিকা ও দুই তরুণীকে উদ্ধার করল এসএসবি । ঘটনায় দুই সন্দেহভাজন ভারতীয় পুরুষ মানব পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে । ২৭ অগাষ্ট সন্ধ্যায় শিলিগুড়ি মহকুমার পানিটাঙ্কির ওল্ড ব্রিজ এলাকায় ৪১ নম্বর ব্যাটালিয়নের ‘ডি’ কোম্পানির বিআইটি দল নিয়মিত তল্লাশির সময় এই অভিযান চালায় ।


এসএসবি সূত্রে জানা গিয়েছে , পানিটাঙ্কির ওল্ড ব্রিজ এলাকায় ভারত থেকে নেপালে যাওয়ার সময় চার নাবালিকা , দুই প্রাপ্তবয়স্ক তরুণী এবং দুই সন্দেহভাজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে আটক করা হয় । প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি মানবপাচারের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ হওয়ায় দ্রুত এএইচটিইউ , রাণিডাঙার এসএসবি সদর দফতর এবং এনজিও ‘কোশি লোক মঞ্চ’-কে খবর দেওয়া হয় । পাশাপাশি আইবি সহ অন্যান্য সহযোগী সংস্থার আধিকারিকদেরও ডেকে যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ।


জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে , কোচবিহারের বাসিন্দা এক মহিলা ‘আন্না’ এবং নেপালের বিরাটনগরের ‘লোটাস ডান্স বার’-এর ম্যানেজার বিকি কৌশিক নাবালিকা তরুণীদের সীমান্ত পার করানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিলেন বলে অভিযোগ। তাদের সঙ্গে ত্রিপুরার বাসিন্দা নির্মল দেববর্মা এবং জলপাইগুড়ির বাসিন্দা চিন্ময় বাসকের যোগাযোগ ছিল বলেও জিজ্ঞাসাবাদে এই তথ্য উঠে এসেছে ।

অভিযোগ, ওই তরুণীদের নেপালের বিরাটনগরের ডান্স বারে নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছিল।
এসএসবির প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা যায়, নেপালে পৌঁছনোর পর তরুণীদের ডান্স বার সংক্রান্ত নাচ ও অন্যান্য কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল । এই ঘটনায় আন্তঃসীমান্ত মানবপাচারের একটি চক্রের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনায় আটক দুই সন্দেহভাজন হল নির্মল দেববর্মা (২৫) | ধলাই, ত্রিপুরার বাসিন্দা এবং চিন্ময় বাসক (৩২) | ময়নাগুড়ির বাসিন্দা।
উদ্ধার হওয়া তরুণী ও আটক ব্যক্তিদের কাউন্সেলিংয়ের পর এনজিও ‘কোশি লোক মঞ্চ’-এর মাধ্যমে খড়িবাড়ি থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় । চার নাবালিকাকে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দুই প্রাপ্তবয়স্ক তরুণীর ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে |

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version