Khabar Samay Bangla Blog উত্তরবঙ্গ দার্জিলিং election campaign : প্রথম দফার শেষ দিনের প্রচারে আজ সুকনায় অমিত শাহ
দার্জিলিং রাজনীতি

election campaign : প্রথম দফার শেষ দিনের প্রচারে আজ সুকনায় অমিত শাহ

শিলিগুড়ি , ২১ এপ্রিল : পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আবহে উত্তরবঙ্গের প্রচারের শেষ দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আজ শিলিগুড়ি সংলগ্ন সুকনাতে । মঙ্গলবার শিলিগুড়ি সংলগ্ন সুকনা হাইস্কুল ময়দানে আয়োজিত জনসভা থেকে তিনি গোর্খা জনজাতির দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, রাজনৈতিক দাবি এবং পাহাড়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে একগুচ্ছ বড় ঘোষণা করেন । হিন্দিতে দেওয়া তার বক্তব্যের মূল সুর ছিল একটাই — বিজেপি ক্ষমতায় আসা মানেই পাহাড়ের দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার অবসান এবং গোর্খাদের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার ।

এদিনের এই জনসভায় উপস্থিত ছিলেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা, গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা সভাপতি বিমল গুরুং, সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি, জিএনএলএফ সভাপতি মন ঘিসিং সহ পাহাড়ের দুই আসনের প্রার্থী নোম্যান রাই, সোনম লামা।

ভাষণের শুরুতেই অমিত শাহ গোর্খা সম্প্রদায়ের দেশ প্রেমকে কুর্নিশ জানিয়ে বলেন, "গোর্খারা এই ভারতের গর্ব । দেশের সীমান্ত রক্ষা করতে গোর্খা জওয়ানদের থেকে বেশি আত্মত্যাগ আর কেউ করেনি । কিন্তু আক্ষেপের বিষয় হলো, স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত এই বীর জাতিকে কেবল রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রথমে কংগ্রেস তারপর বামফ্রন্ট এবং এখন তৃণমূল, প্রত্যেকেই গোর্খাদের সঙ্গে বেইমানি করেছে । কিন্তু নরেন্দ্র মোদীজির নেতৃত্বে বিজেপি গোর্খাদের জন্য কেবল প্রতিশ্রুতি নয়, কাজ করে দেখাবে।" গোর্খাদের প্রধান দাবি অর্থাৎ পাহাড়ের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে অমিত শাহ এদিন অত্যন্ত স্পষ্ট বক্তব্য রাখেন । তিনি বলেন, "আমি জানি পাহাড়ের মানুষের মনে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ আছে । বিজেপি যখনই কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়, তা রক্ষা করে।

তিনি আরও জানান যে, কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে কাজ অনেকটা এগিয়ে রেখেছে। একজন দক্ষ 'মধ্যস্থতাকারী' বা ইন্টারলোকিউটার নিয়োগ করা হয়েছে এবং আলোচনার টেবিল প্রস্তুত। তবে শাহ সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, "কেন্দ্র সরকার যখনই গোর্খাদের জন্য আলোচনার দরজা খুলেছে , দিদি তাতে বাধা দিয়েছেন । তিনবার বৈঠক ডাকা হয়েছিল। তিনি কখনও নিজে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেননি, আবার পাহাড়ের প্রতিনিধিদের আসতেও বাধা দিয়েছেন। তিনি চান না পাহাড়ে শান্তি ফিরুক বা গোর্খারা তাঁদের প্রাপ্য সম্মান পাক। এবার বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় আসা মাত্র তারা সেই সমস্যার সমাধান করবেন ।"
এছাড়া একাধিক বিষয় উঠে আসে তার ভাষণে |





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version